ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, কিছু মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বলে থাকে তারা রগ কাটা বা অমুক তমুক দল। অথচ এইসবের প্রমাণ বাংলাদেশে নাই।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গনে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ কর্তৃক ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে জনগণের রায়কে পাল্টে দেওয়ার অপরাধে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানের গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ইয়াসির আরাফাত,সংসদ সদস্য কামাল হোসেন প্রমুখ।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা আশা করেছিলাম জনগণের ভোটে ১৬০টা আসন পাবো। কিন্তু আপনারা (রিজওয়ানা/খলিলুর) প্লান করে সেটা ১০০ এর নিচে থামিয়ে দিয়েছিলেন। ভোট গণনায় মেকানিজম করা হয়েছিল, টেম্পারিং করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, জামায়াত ইসলামী ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনের ফলাফল অনেক কষ্টে মেনে নিয়েছে। কারণ আমরা দেশ পরিচালনায় জনগণের আকাঙ্খাকে পূরণ করতে চাই। যারা সরকারের ক্ষমতায় আনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভেতরে থেকেও চেষ্টা করেছেন, তারা বিবেকের দংশনে নিশ্চই দংশিত হবেন। ওই সময় আপনি (খলিলুর রহমান) এই চেষ্টা করছেন বলেই আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ পেয়েছেন, আপনার সার্ভিসে সরকার এতোই সন্তুষ্ট হয়েছে। এর আগে কোনো নির্দলীয় সরকারের ক্ষেত্রে আমরা এমন নজির দেখি নি। এই মহব্বতের মধ্যে নিশ্চয়ই কোনো রহস্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু মিডিয়া/টক শো ব্যক্তিত্বরা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বলে থাকে তারা রগ কাটা দল বা অমুক তমুক দল। অথচ এইসবের প্রমাণ বাংলাদেশে নাই। কোনো অপপ্রচার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ঠেকাতে পারে নি। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে যারা জড়িত ছিল, তাদের সামনে আনা হোক।বিচার বিভাগকে বলবো,আপনারা এর সুষ্ঠু তদন্ত করুন।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারের কাজ হলো যারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, তাদের দিয়ে দেশ চালানো। শুরু থেকেই আপনি সেই গণতন্ত্রের পথে হাটঁতে পারলেন না। সবখানে দলীয় লোক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। একটু সংযত হোন। ৫ আগস্ট আমাদের অনেক শিক্ষা দিয়ে গেছে। প্রশাসনিক পরিবর্তন করতেই পারেন, কিন্তু জুলাই সনদকে আপনারা এড়িয়ে যাচ্ছেন। আমরা সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করবো, ন্যায়ের পক্ষে থাকবো।