ডেস্ক রিপোর্ট: রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর অবশেষে শপথ নিচ্ছেন এনসিপির নির্বাচিত সদস্যরা। এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন।
জানা গেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ ইস্যুতে শুরুতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের নবনির্বাচিত সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। আলোচনা-পর্যালোচনার পর শেষ পর্যন্ত এনসিপির সদস্যরা শপথ গ্রহণে অংশ নেন।
সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা দুটি শপথ নিচ্ছেন।
এর ঘণ্টা খানেক আগে তাদের জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরাও দুটি শপথ নেন।
তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। শপথ নেওয়ার পর শপথপত্রের নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর করেন নবনির্বাচিত সদস্যরা।
দেশের আইনসভার সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনের শপথ নেন আগের সংসদের স্পিকারের কাছ থেকে। তবে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে নেই, ডেপুটি স্পিকার হত্যা মামলায় শামসুল হক টুকু কারাগারে। সে কারণে নতুন এমপিরা এবার শপথ নেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে।
বিএনপির নবনির্বাচিতরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর মত তাদের জোট শরিক এনসিপিও বেঁকে বসেছিল। শেষ পর্যন্ত তারাও শপথ নিচ্ছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বচিত এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনকে উদ্ধৃত করে দলের মিডিয়া গ্রুপে বলা হয়, 'জনগণ জুলাইয়ের আকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য আমাদেরকে ম্যান্ডেট দিয়েছে, এজন্য আমরা দুটি শপথই নিচ্ছি। বিএনপি ক্ষমতামুখী দল হিসেবে শুধু সরকার গঠনের শপথ নিয়ে গণরায় উপেক্ষা করেছে।'