সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মঙ্গলবার নতুন সরকারের শপথ PAYRA NEWS PAYRA NEWS প্রকাশিত: ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ ডেস্ক রিপোর্ট: প্রচলিত প্রথা থেকে সরে এসে বঙ্গভবনের বাইরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। অন্তর্বর্তী সরকারের তত্ত্বাবধানে আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সেখানে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে বিএনপির মন্ত্রিসভা ওই দিন বিকেলে শপথ গ্রহণ করবে। এর আগে একই দিন সকালে একই ভেন্যুতে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার দুই দিন পর থেকেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা গণমাধ্যমকে জানান, সকাল ও বিকেলে পৃথক দুই পর্বে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। তবে রাষ্ট্রপতি সরাসরি শপথ পাঠ করাবেন কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। সাধারণত বঙ্গভবনেই নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। এবার জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে আয়োজনের সিদ্ধান্তে সেই ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন আসছে। তবে কেন স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে, তা নিয়ে সরকার বা বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এর আগে চব্বিশের আন্দোলনের পর মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-এর কাছে শপথ নেয়। শপথের প্রস্তুতির মধ্যেই শনিবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব আব্দুর রশীদকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র জানায়, বঙ্গভবনের নির্দেশনা পাওয়ার পরপরই নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের কাজ শুরু করা হয়। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের শপথ আয়োজনের প্রক্রিয়াও চলমান ছিল। সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নিতে হয়। শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭টির গেজেট প্রকাশ করেছে। নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। তাদের পূর্বের জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। বাকি আসনগুলোতে জয় পেয়েছেন অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। সংসদ সদস্যদের শপথ কে পরিচালনা করবেন—এ বিষয়ে এক কর্মকর্তা জানান, সংবিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারই শপথ পাঠ করাবেন। শপথ শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সংসদীয় বৈঠকে নেতা নির্বাচন করা হবে। পরবর্তীতে সেই নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক দাবি জানাবেন। রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন মন্ত্রিসভা দায়িত্বভার গ্রহণ করবে। SHARES জাতীয় বিষয়: