ফিরেই আম্পায়ারিং নিয়ে স্পষ্ট বার্তা তাসকিনের

প্রকাশিত: ৩:৩৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: অসুস্থতার কারণে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাকে। সাইনাস সমস্যায় ভুগে অদম্য কাপে খেলতে পারেননি, এমনকি ঘরোয়া আসরেও শুরুর দিকে বিশ্রামে থাকার পরিকল্পনা ছিল। তবে ধীরে ধীরে বোলিং ওয়ার্কলোড বাড়িয়ে অবশেষে মাঠে ফিরেছেন তাসকিন আহমেদ। বিসিএলে সেন্ট্রাল জোনের হয়ে খেলেই পেয়েছেন জয়ের স্বাদ। জয়ে ফেরার দিনে আম্পায়ারিং নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দিলেন তাসকিন।

এমনিতে ইনজুরির সঙ্গে লড়াই তো আছেই। এবার অসুস্থতা বেশ কিছুটা সময় কেড়ে নিয়েছে এই পেসারের। তবে ফিরতে পেরে বেশ স্বস্তিতে আছেন তাসকিন।

যেমনটা বলছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার, ‘ভাল লাগছে আলহামদুলিল্লাহ। মাঝখানে একটু শরীর অসুস্থ ছিল দেখে কিছুদিন বোলিং অফ ছিল। এজন্য বোলিং ওয়ার্কলোড বাড়িয়ে প্রথম ম্যাচটা না খেলে সেকেন্ড ম্যাচ থেকে খেলা শুরু করেছি। আর অনেকদিন পরে ওডিআই খেলে জিতলাম, বোলিং মোটামুটি ভালো হয়েছে। সামনে আরও ভালো হবে ইনশাআল্লাহ।’

বগুড়ার উইকেট ও কন্ডিশন নিয়েও ইতিবাচক মূল্যায়ন দিয়েছেন এই পেসার। তাসকিন বলেন, ‘দেখুন, বগুড়ার কন্ডিশনটা খুবই দারুণ লেগেছে। উপযুক্ত স্পোর্টিং কন্ডিশন, ব্যাটিং-বোলিং দুটাতেই সুবিধা আছে। যদিও বোলারদের মার্জিন এখানে অনেক শর্ট, যেটা বিদেশের ফ্ল্যাট উইকেটগুলোতে এমন থাকে। তো বগুড়ায় অনেকদিন পরে খেললাম, তো খেলে যেটা মনে হলো যে, এখানে খেললে ব্যাটার বোলার দুজনেরই উন্নতির সুযোগ থাকবে। খুব ভালো কন্ডিশন, আশা করছি সামনে বগুড়া স্টেডিয়ামের আরও উন্নতি হবে।’

গতকালের লড়াইয়ে ম্যাচে সতীর্থ রনির ৬৬ রানের ইনিংসেও মুগ্ধ তাসকিন। তিনি বলেন, ‘খুবই আউটস্ট্যান্ডিং ইনিংস খেলেছে আসলে। ম্যাচটা আমাদের একটা পর্যায়ে বল টু বল রান এসে গিয়েছিল এবং আমাদের একটু কাউন্টার অ্যাটাক প্রয়োজন ছিল। ওই সময় আমাদের কোচ রনিকে পাঠায় এবং সে দারুণ ইনিংস খেলে আমাদেরকে একটা দারুণ জয় দিয়েছে। সবমিলিয়ে আমি খুব খুশি।’

আম্পায়ারিং নিয়ে ম্যাচ শেষে কিছু আলোচনা হলেও বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন তাসকিন। তার স্পষ্ট বার্তা ‘সত্যি বলতে দুটা দলেরই কিন্তু আজকে বাঁচা-মরার ম্যাচ ছিল। তাই সবাই জিততে চেয়েছে, খুব সিরিয়াস ছিল। আসলে এখানে তো ডিআরএসও নাই। কিছু সিদ্ধান্ত আসলে আমরা যখন ফিল্ডিং দল মাঠে থাকি, আমাদের কাছে তো সবকিছুই আউট মনে হয়। তো আম্পায়াররা সিদ্ধান্ত দেন এবং মানুষ মাত্রই ভুল। কোনো ছোটখাটো ভুল হতেও পারে, অনেক সময় হয়, হয় না। কিন্তু সবমিলিয়ে তো ঠিকই ছিল, তেমন কিছু মনে হয় না।’