ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বিক্ষোভ: ৩ কোটি গ্রাহক, আন্দোলনে ৫০০

প্রকাশিত: ৯:২০ পূর্বাহ্ণ, জুন ৪, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: চেয়ারম্যান অপসারণ ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) পুনর্বহালসহ সাত দফা দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে আন্দোলনকারীরা। রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বুধবারও উত্তেজনা বিরাজ করে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে অপসারণ করতে হবে এবং সাবেক এমডি ওমর ফারুক খানকে তার পদে ফিরিয়ে আনতে হবে। সাত দফা দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।

ফোরামের দাবি, আন্দোলনকারীরা ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও ব্যবসায়ী। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই ব্যাংকের কোন শাখার গ্রাহক—সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।

তবে ইসলামী ব্যাংক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকের মোট গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। সেই তুলনায় আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ৫০০ জনের মতো, যা মোট গ্রাহকের মাত্র ০.০০১৭ শতাংশ। ফলে আন্দোলনটি কতটা বৃহৎ গ্রাহকগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

চেয়ারম্যান অপসারণ ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) পুনর্বহালসহ সাত দফা দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে আন্দোলনকারীরা। রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বুধবারও উত্তেজনা বিরাজ করে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে অপসারণ করতে হবে এবং সাবেক এমডি ওমর ফারুক খানকে তার পদে ফিরিয়ে আনতে হবে। সাত দফা দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।

ফোরামের দাবি, আন্দোলনকারীরা ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও ব্যবসায়ী। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই ব্যাংকের কোন শাখার গ্রাহক—সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।

তবে ইসলামী ব্যাংক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকের মোট গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। সেই তুলনায় আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ৫০০ জনের মতো, যা মোট গ্রাহকের মাত্র ০.০০১৭ শতাংশ। ফলে আন্দোলনটি কতটা বৃহৎ গ্রাহকগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে দ্বিতীয় দিন গত মঙ্গলবার সকাল থেকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে কর্মসূচি শুরু হয়। আন্দোলন ঘিরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রস্তুত রাখা হয় জলকামান ও সাঁজোয়া যান।

প্রথম দিন গত সোমবারের আন্দোলনের কারণে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্ধারিত সভা সশরীরে অনুষ্ঠিত করা সম্ভব হয়নি। পরে রাতে নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ওই সভায় ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খানের জমা দেওয়া পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন এমডি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আলতাফ হোসাইন ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব পালন করবেন।

আরিফ হোসেন খান বলেন, রাজপথের আন্দোলনের ভিত্তিতে কোনো ব্যাংকের চেয়ারম্যান পরিবর্তন করা হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের অনেকগুলোই ভিত্তিহীন। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে তার ব্যক্তিগত নামে কোনো ঋণ নেই। তার স্ত্রীর নামে একটি ঋণ রয়েছে, যা বর্তমানে খেলাপি অবস্থায় আছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পুনর্গঠিত ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক অন্যতম। সম্প্রতি চেয়ারম্যান এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করলে গত ২৪ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের পর থেকেই বিভিন্ন ব্যানারে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন একদল গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার। এর ধারাবাহিকতায় টানা কয়েক দিন ধরে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।